দক্ষিণএশিয়ার বিভিন্ন দেশের সাথে সাথে বাংলাদেশেও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাক্রমবর্ধমান ভাবে বেড়ে চলেছে। উচ্চ রক্তচাপের কোনো উপসর্গ না থাকায়এটি নীরব ঘাতকের মতো কাজ করে। আমাদের দেশের মানুষ অসংক্রামক রোগ গুলো নিয়ে বেশিরভাগসময়েই অবহেলা করে। আর এই উচ্চ রক্তচাপ যে শুধু নিজেই মানবদেহে সমস্যা সৃষ্টি করে তানয়। সঠিক সময়ে রক্তচাপ নির্ণয় করতে না পারলে তা হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি ও চোখের বিভিন্নরোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এর মতে, কার্ডিয় ভাস্কুলারডিজিস বা হৃদরোগের কারণে প্রায় ১৭ মিলিয়ন লোকের মৃত্যু ঘটে,আর এর মধ্যে ৯.৪ মিলিয়ন মানুষ উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। সম্প্রতি বাংলাদেশহেল্থ ওয়াচ রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে দেশের প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে শতকরা ১৪ ভাগ লোকউচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। গ্রামাঞ্চলে এর হার শতকরা ১১ হলেও শহরের দিকে তা শতকরা ২৪গ্রামাঞ্চলের দ্বিগুনের বেশি। উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি২০০০ সালে ছিল ২৬% আর জনস্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষকগণ ধারণা করেন যে ২০২৫ সালের মধ্যে তা বেড়ে ২৯.২% হবে।

উচ্চ রক্তচাপ ক্রমেইবেড়ে চলা একটি জনস্বাস্থ্যগত সমস্যা। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, দ্রুত নগরায়ণ, জীবনধারণের মান বৃদ্ধি, অস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণের প্রবণতা, এবং জীবনধারণেরব্যাপক পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপ সহ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। কম পরিশ্রম, বেশি লবন খাওয়া আরঅস্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণের ফল স্বরূপ স্থুলতা এই বিষয়গুলো উচ্চ রক্তচাপ হওয়ারক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

দীপান্বিতা সূত্রধর

আগামী ২০২০ সালের মধ্যে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৭ জনের মৃত্যুর কারণ হবে ডায়েবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ক্যান্সারের মত অসংক্রামক রোগ বা এনসিডি।

দীপান্বিতা সূত্রধর

অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ ব্যবহারের ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো তাদের ঐ ওষুধের বিপক্ষে তাদের প্রতিক্রিয়া পরিবর্তন করে ফেলে ফলে মানবদেহে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ ঘটে।

দীপান্বিতা সূত্রধর

প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা যেকোন রোগী টেলিমেডিসিন উদ্যোক্তার কাছে গিয়ে সহজেই কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কাছের মেডিক্যাল কলেজ বা অন্য শহরের এমবিবিএস এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসা পরামর্শ নিতে পারে।

দীপান্বিতা সূত্রধর

আফসানা পারভীন তন্বী