বাংলাদেশে যাত্রা বন্ধ করেছে দুই থাই এয়ারলাইন্স

ভ্রমণ বিবরণ জুআয়রা হোসেন || 4 February 2018

বাণিজ্যিক কারণে বাংলাদেশে দুই থাই এয়ারলাইন্স এবং ওমান এয়ার গত বছর তাদের চলাচল চিরতরে বন্ধ করেছে।


দেশের প্রধান বিমানবন্দর, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ সব প্রধান কার্যক্রম সম্পাদনা করে থাকে। বাংলাদেশে ৩০টি বিদেশী এয়ারলাইন্স তাদের কার্যক্রম চালায়। তবে এদের সবগুলোই এশীয়। ইউরোপীয়ান বা আমেরিকান এয়ারলাইন্সের চলাচল এখানে নেই।

ব্যাংকক এয়ারওয়েজ, ওমান এয়ার এবং থাই স্মাইল গত বছর বাংলাদেশে তাদের চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।

২০১১ সালে ব্যাংকক এয়ারওয়েজ বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে। গত বছর নভেম্বরে এই এয়ারওয়েজ বাংলাদেশে তার কার্যক্রম বন্ধ করে। থাই স্মাইল হচ্ছে থাই এয়ারওয়েজ এর মালিকাধীন একটি আঞ্চলিক এয়ারলাইন। গত জুলাই মাসে এটিও বাংলাদেশে তার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। বন্ধের চার মাস আগে থাই স্মাইল বাংলাদেশে তার যাত্রা শুরু করেছিল।

অন্যদিকে ওমান এয়ার ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করেছে প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে। মধ্যপ্রাচ্যের এই বিমান গত বছর মে মাসে চট্টগ্রামে এবং তার পাঁচ মাস পর ঢাকাতে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে।

এর মূল কারণ হচ্ছে তারা এই রুটে চলাচলকে বাণিজ্যিক ভাবে অনিশ্চিত মনে করেন। তাছাড়া তেলের দাম বৃদ্ধিও আরেকটি কারণ।

তিনটি বিদেশী এয়ারলাইন্স তাদের কর্মসূচি বন্ধ করায় প্রায় ৫০ জন বাংলাদেশী চাকরি হারিয়েছে। শুধু তাই নয়, এই কারণে বিমান বাংলাদেশ এবং বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।

বাণিজ্যিক কারণেই ওমান এয়ার বাংলাদেশসহ কয়েকটি জায়গায় চলাচল বন্ধ করেছে বলে জানান ওমান সালতানাতের জাতীয় বিমানের সাবেক কান্ট্রি ম্যানেজার আশরাফুল কবির। ওমান এয়ার বাংলাদেশ থেকে দ্রুত কম খরচের ফ্লাইট চালু করবেন বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।

একজন বিমান বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম জানান, কোন বিদেশী বিমানের কার্যক্রম বন্ধ অন্যান্য বিদেশী এয়ারলাইন্সের কাছে বিরূপ প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরূপ কে এল এম রয়েল ডাচ এয়ারলাইন্স কয়েক বছর আগে বাংলাদেশে তাদের চলাচল বন্ধ করে দেয়। যার প্রভাব পরে অন্যান্য এয়ারলাইন্সের উপর। সবচেয়ে বড় জার্মান এয়ারলাইন্স লুফথানজা বাংলাদেশ মার্কেটে তাদের কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু কে এল এমের কর্মসূচি বন্ধের পর তারাও তাদের মত বদলায়।

উপরোক্ত অবস্থা পর্যালোচনা করে বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং বিমান বাংলাদেশের যৌথভাবে এসব সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করা উচিত। সেইসাথে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স কেন বাংলাদেশকে বাণিজ্যিকভাবে অনিশ্চিত মনে করে তার কারণও জানতে হবে। বাংলাদেশে খুব বেশি মানুষ ভ্রমণে আসেনা এটা হয়ত অন্যতম একটা কারণ। তাছাড়া অন্যান্য দেশের এয়ারলাইন্স ক্রুরা এদেশের বিমানবন্দরে কেমন সেবা পাচ্ছে সেটাও জানতে হবে। অন্যান্য দেশের ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলো মূলত রাজস্বের  দিক দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে নিশ্চিত। সুতরাং বাংলাদেশেরও উচিত এমন কিছু পদক্ষেপ নেয়া যাতে শুধু বাণিজ্যিকভাবে নিশ্চিত রুট নয়, এটা বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে একটি হয় এবং তা যেন অন্যান্য এয়ারলাইন্সগুলোকে এদেশে কার্যক্রম চালাতে উদ্বুদ্ধ করে।

Two Thai airways shut down their operations in Bangladesh

Travel Zuaira Hossain on 4 February 2018

Two Thai airways and Oman Air shut down their operations permanently in Bangladesh as they find the route to be commercially unsustainable.


Biman Bangladesh conducts the ground handling at Hazrat Shahjalal International Airport. There are about 30 foreign airlines who conduct their operations in Bangladesh. All of them are Asian carriers. Any European or American Airlines do not have their operations here.

Last year two Thai airlines, Bangkok Airways, Thai Smile and Oman Air shut their operations down permanently in Bangladesh.

Bangkok Airways started their journey in Bangladesh in 2011. They shut their operations down in November last year. Thai Smile is the regional airline owned by Thai Airways. Thai smile also shut their operation down in June last year. They started their operations four months back from shutting down.

Oman Air operated on Dhaka-Chittagong road for nearly a decade. This Middle Eastern carrier suspended operations from Chittagong in May last year and from Dhaka after five months.

Basically, they suspended operations as they find this route commercially unsustainable. Also, the rising oil price is another reason.

Due to this move, nearly 50 Bangladeshi lost their jobs. It also caused revenue losses for civil aviation and Biman Bangladesh.

Former country manager of the national carrier of the Sultanate of Oman, Ashraful Kabir said that Oman Air due to commercial reasons Oman Air shuts down its operation in Bangladesh and some other places. He also said that Oman Air will introduce low-cost flight from Bangladesh soon.

An aviation expert, Kazi Wahidul Alam said shutting down any of the foreign airlines gives a wrong message to the rest of the aviation world which creates a negative impact.

For example KLM the Royal Dutch airline that stopped its operation in Bangladesh several years ago. The largest German airline Lufthansa was planning on entering the market of Bangladesh. They changed their mind after the KLM’s decision.

Given the current circumstances on the airline business, Bangladesh Aviation and Biman Bangladesh should jointly be digging deep to figure out on what grounds are all these esteemed airlines find a leg at any airports in Bangladesh commercially unsustainable. Typically it is all due to revenue. Not enough people traveling to Bangladesh or going out is definitely one of the top reasons they decide so. We also need to know if our airports are proving enough facilities for the foreign airlines crews as well. The busiest of the airports are the most commercial and sustainable in terms of revenue so we should actually device steps so that Bangladesh can also turn out to be a busiest airport hub and all renowned airports can decide on operating to and from Bangladesh.