শহর জুড়ে মশা আতঙ্ক, বিপাকে জনসাধারণ

আপনার স্বাস্থ্য দীপান্বিতা সূত্রধর || 27 March 2018

শীতের পরের গরম আবহাওয়া মশার প্রজননের উত্তম সময় আর ঢাকার ময়লা জলাশয়, নালা নর্দমাগুলোতে জমে থাকা পানিতে মশার প্রজনন বেড়ে চলেছে। রাজধানীতে মশার প্রকোপ যে কী পরিমাণে বেড়েছে তা বর্ণনাতীত। আর মশার উৎপাতের সাথে বেড়ে চলেছে মশাবাহিত রোগ। চিকিৎসকেরা মনে করেন মশার উপদ্রব যদি ঠিক সময়ে সমাধান না করা হয় তাহলে গত বছরের মত আবারও মশাবাহিত রোগের মহামারী দেখা দিতে পারে।


শীতের পরের গরম আবহাওয়া মশার প্রজননের উত্তম সময় আর ঢাকার ময়লা জলাশয়, নালা নর্দমাগুলোতে জমে থাকা পানিতে মশার প্রজনন বেড়ে চলেছে। রাজধানীতে মশার প্রকোপ যে কী পরিমাণে বেড়েছে তা বর্ণনাতীত। আর মশার উৎপাতের সাথে বেড়ে চলেছে মশাবাহিত রোগ। চিকিৎসকেরা মনে করেন মশার উপদ্রব যদি ঠিক সময়ে সমাধান না করা হয় তাহলে গত বছরের মত আবারও মশাবাহিত রোগের মহামারী দেখা দিতে পারে। 
রাজধানী ঢাকাতে সিটি কর্পোরেশন দুইটি মশা নিধনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে নাবলে মনে করে স্থানীয় বাসিন্দারা। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন জানিয়েছে তারা মশার উপদ্রব কমানোর জন্য জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। অন্যদিকে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মশা নিধনে ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ হাতে নেয়ার কথা জানিয়েছে। মশা নিধনের সবচেয়ে পরিচিত যেই যন্ত্র আমরা চীনে থাকি- ফগার মেশিন, তা দিয়ে মশা মারা সম্ভব হয়না বলে জানায় সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ। সাময়িক ভাবে মশার উপদ্রব কমলেও, আসলে মশাগুলো ফগার মেশিনের শব্দে পালিয়ে বাসাবাড়ির আঙিনা, ছাদ বাগান, নির্মাণাধীন ভবনের চৌবাচ্চা, পরিত্যক্ত ভবন, গাছের কোটর, এসি ও ফ্রিজ থেকে জমা পানি, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, খালি ক্যান ও ডাবের খোসায় আশ্রয় নেয়। আর বেশির ভাগ সময়ে এইসব জায়গা থেকেই মশা বংশ বিস্তার করে। যেহেতু ফগার মেশিন আশাতীত ভাবে মশা নিধন করতে পারেনা, তাই সিটি কর্পোরেশনের উচিৎ সঠিক পরিমাণে মশা মারার ওষুধ প্রয়োগ করা এবং শহরের বাসিন্দাদের এই বিষয়গুলোতে সচেতনতা বাড়ানো। ঢাকায় বিভিন্ন হাউজিং সোসাইটির সদস্যরা জানান, নগরীর সব এলাকায় নিয়ম মেনে মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে না। কিন্তু সিটি কর্পোরেশন জানিয়েছে মশার ওষুধের সাথে সাথে আরও পাঁচটি অঞ্চলের ৫৭টি ওয়ার্ডে স্থানীয় কাউন্সিলরের নেতৃত্বে ভোর থেকে দিনভর বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালু করা হবে। এছাড়াও  নিয়মিত ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি একটা হট লাইন চালু করা হয়েছে। নাগরিকদের পক্ষ ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মশা  নিধনকর্মী সেখানে চলে যাবে বলে জানান ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেসবাহুল ইসলাম।
এখন যেসব মশার উপদ্রব বেশি তাদের বেশির ভাগই কিউলেক্স মশা আর এইগুল দিয়ে রোগ বিস্তার হয়না। কিন্তু এই কিছু দিন পরে বৃষ্টির মৌসুমে আগে থেকে ব্যবস্থা না নিলে, এইসব জায়গা থেকে এডিস মশা জন্ম নিবে যা পরে ডেঙ্গুর মত খারাপ রোগ ছড়াবে। সিটি কর্পোরেশন ও হাউজিং সোসাইটি ছাড়াও নিজেদের ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখতে হবে। সাথে মশা নিধনের জন্য কয়েল, ধুপ, মশারি সহ অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিজেদেরই নিতে হবে। ওডোমস জাতীয় ক্রিম বেশি প্রয়োজন না হলে ব্যবহার না করাই ভাল কারণ এ জাতীয় ওষুধ মাত্রাতিরক্ত ব্যবহার করলে চামড়ায় অনেক সময় সমস্যা দেখা দিতে পারে। 
উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ দ্বারা যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে তা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হল ঢাকায় মশার উপদ্রব কমে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। 

Mosquitoes go rampant in Dhaka city

Health Dipanwita Sutradhar on 27 March 2018

The severity mosquitoes in the capital are unbearable. Besides, mosquito-borne diseases are increasing with mosquitoes. Doctors believe that if the mosquito situation is not resolved at the right time, then again like the previous year pandemic mosquito-borne diseases can occur.


This pre Spring season is the good season for mosquito breeding. There are many areas of Dhaka where there is no proper drainage sewage system. The severity mosquitoes in the capital are unbearable. Besides, mosquito-borne diseases are increasing with mosquitoes. Doctors believe that if the mosquito situation is not resolved at the right time, then again like the previous year pandemic mosquito-borne diseases can occur.
The city corporation is taking proper measures for the annihilation of mosquitoes in capital Dhaka, according to local residents. Dhaka North City Corporation said they are taking urgent measures to reduce mosquito infestation. On the other hand, Dhaka South City Corporation has told to take 'crash program' to kill mosquitoes. According to the City Corporation authorities, it is not possible to kill mosquitoes with the fogger machine, which is the most familiar device for mosquito killings. Although mosquito eruptions have declined temporarily, mosquitoes fled to the sound of fogger machine and took shelter in the house of the lodging, roof gardens, abandoned buildings, abandoned buildings, and deposits of water from the plants, AC, and refrigerators, flower tub, abandoned tires, empty cans, and cobbles. Most of the time, mosquitoes spread from these places. Since the fogger machine cannot kill mosquitoes, the City Corporation should apply the right amount of mosquito killers and increase the awareness of the residents of these areas. Members of various housing societies in Dhaka said that mosquito drugs were not sprayed in all areas of the city. 
But City Corporation has announced that a special day-to-day crash program will be started soon under the leadership of local councilor in 57 wards in five areas with mosquito drugs. There is also a hotline introduced along with regular medication. As soon as the citizens receive the phone, the mosquito killer will be there, said DNCC’s Chief Executive Officer Mesbahul Islam.
Most of the mosquito that is being spread is Qualex mosquitoes and these do not spread any disease. But after a few days, in the rainy season, if no measurement is taken- Addis mosquitoes will be born, which will spread diseases like dengue later. In addition to, the City Corporation and Housing Society, homes and surrounding areas should be kept clean by people. To kill mosquitoes, coil, and other preventive measures must be taken. If it is not emergency cream like Odomos, is best not to use because excessive use of these drugs can cause problems in the skin.
The activities undertaken by the North and South City Corporation authorities are expected to reduce the incidence of mosquito infestation in Dhaka.