ইলিশ মাছ আর জামদানি শাড়ি এর পর জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন সনদ পেল ‘হিমসাগর’



দীপান্বিতা সূত্রধর


যাপিত জীবন | 29 January 2018


Read in English

After Hilsha and Jamdani- Himsagar got Geographical Indication Certificate. Credit: Unsplash.

ইলিশ মাছ আর জামদানি শাড়ি এর পর এবার ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই) সনদ পেল বাংলাদেশের বিখ্যাত আম ‘হিমসাগর’। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত এবং সুমিষ্ট ‘ক্ষীরশাপাত’ আমের অন্য নামই ‘হিমসাগর’। ২৭ জানুয়ারি শিল্প মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের আওতাধীন উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের (গাজীপুর) পরিচালক ড. মোদন গোপাল সাহা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা  ড. মো. শফিকুল ইসলাম এর হাতে এই সনদ তুলে দেন।  
গত বছর ফেব্রুয়ারী মাসে খিরসা জাতের আম, ফজলি আম, ল্যাংড়া আম, আশ্বিনা জাতের আম ও কাটারিভোগ চালের জন্য বাংলাদেশ রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বারি) বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে জিআই স্বীকৃতি পেতে আবেদন করেছিল। আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ববিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল প্রোপার্টি রাইটস অর্গানাইজেশন (আইপিও) থেকে বাংলাদেশের পণ্যের জিআই নিবন্ধন দেওয়ার দায়িত্ব শিল্প মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত সংস্থা প্যাটেন্ট ডিজাইন ও ট্রেড মার্কস অধিদফতরকে (ডিপিডিটি) কে দিলে তারা এই সনদ প্রদান করেন। 
বাংলাদেশের আমের রাজধানী বলে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রায় ২৫০ ধরনের আমের মধ্যে সবচেয়ে সুস্বাদু ও জনপ্রিয়


ইলিশ মাছ আর জামদানি শাড়ি এর পর এবার ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই) সনদ পেল বাংলাদেশের বিখ্যাত আম ‘হিমসাগর’। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত এবং সুমিষ্ট ‘ক্ষীরশাপাত’ আমের অন্য নামই ‘হিমসাগর’।

এই ‘ক্ষীরশাপাত’। প্রায় ২০০ বছর আগে তৎকালীন সময়ের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি সুতাংশু কুমার আচার্য্য বাহাদুর চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে একটি আমবাগান গড়ে তোলেন। সেইসময় থেকে প্রথম অন্যান্য জাতের আমের সাথে শুরু হয় ‘হিমসাগর’ বা ‘ক্ষীরশাপাত’ এর চাষ। মাঝারি আকারের এই আম লম্বায় গড়ে ৮ দশমিক ৬ সেন্টিমিটার এবং ওজন হয় আড়াইশো গ্রাম থেকে সাড়ে তিনশো গ্রাম।
জিআই সনদ পাওয়ার পর থেকে বাজারজাতের সময় ‘ক্ষীরশাপাত’ আমের গায়ে ট্যাগ লাগান থাকবে বলে জানান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. মঞ্জুরুল হুদা। এর মাধ্যমে ক্রেতারা চিনতে পারবে এবং অসাধু বিক্রেতাগণ হিমসাগর নামে অন্য আম বিক্রি করতে পারবে না।  
বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত আমের প্রায় ২০ থেকে ২৫% হল হিমসাগর। বর্তমানে হিমসাগর আম ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশে রপ্তানি হচ্ছে। জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা জিআই সনদ প্রাপ্তির পর জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে  ‘ক্ষীরশাপাত’ বা হিমসাগর আমের ভাল ব্র্যান্ডিং হবে। সাধারণত জি আই নিবন্ধনপ্রাপ্ত পণ্য রপ্তানি করলে তুলনামূলক ভাবে ১০ থেকে ১৫% দাম বেশি পাওয়া যায়। জিআই নিবন্ধনের কারণে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের আমের ঐতিহ্য সংরক্ষণের সাথে সাথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সাফল্য আসবে বলে আশা করা যায়।

After Hilsha and Jamdani- Himsagar got Geographical Indication Certificate



Dipanwita Sutradhar


Lifestyle | 29 January 2018


বাংলায় পড়ুন

After Hilsha and Jamdani- Himsagar got Geographical Indication Certificate. Credit: Unsplash.

After Hilsha fish and Jamdani sarees- a famous mango of Bangladesh got Geographical Indication (GI) certificate. Chapainawabganj's famous and well-known 'Khirashapat' is the third product from Bangladesh that achieved this kind of international recognition. 
Industry Minister Nurul Majid Mahmud Humayun handed over the certificate to Dr. Modan Gopal Saha and Dr. Md. Shafiqul Islam on the 27th January. Dr. Modan Gopal Saha is currently working as director of the Center for Horticulture Research (Gazipur), under the Agriculture Research Institute and Dr. Md. Shafiqul Islam is the Chief Scientific Officer of Chapainawabganj Regional Horticulture Research Center. 
The Bangladesh Rice Research Institute (Bari) had applied for GI recognition for different types of famous mangoes and Katarivog Rice. The Geographical Indication certificate will be given by the Patent Design and Trade Marks Department (DPDT). International Property Rights Organization (IPO) has approved the Bangladesh Ministry of Industry to provide the recognition. 
Chapainawabganj, known as the Capital of Mango


After Hilsha fish and Jamdani sarees- a famous mango of Bangladesh got Geographical Indication (GI) certificate. Chapainawabganj's famous and well-known 'Khirashapat' is the third product from Bangladesh that achieved this kind of international recognition.

in Bangladesh. About 200 years ago, a rich person from Mymensing named Sutangshu Kumar Acharya Bahadur, built a mango plant at Kansate in Chapainawabganj. From then on, the cultivation of 'Himasagar' or 'Khirashapat' began. 'Khirashapat' is one of the sweetest and scrumptious varieties of mangoes among 250 types of mangoes. The average size of this mango is 8.6 cm in length and weighs from 250 to 350 grams. 
District Agriculture Extension Directorate Deputy Director Agriculture Officer Md. Manjurul Huda, Chapainawabganj informed that after receiving the GI certification- 'Khirashapat' mango will be in the market with special tags. Consequently, the buyers will get to know which one is 'Khirashapat' or ‘Himsagar’ and dishonest seller will not be able to sell other mangoes in the name of ‘Himsagar’. 
The production of ‘Himsagar’ mangoes is about 20-25% of the total mango production of Bangladesh. Presently, ‘Himsagar’ mangoes are being exported to different countries of Europe and the Middle East. Geographical Indication or GI will provide a great scope to Bangladesh for the branding in national and international markets. Typically GI registered products get 10-15% higher prices than other normal product. 
Due to the GI registration, it is expected that it will preserve the heritage of Bangladesh, as well as International trade, will continue to be successful.