চরমপন্থী ইউটিউব ভিডিওগুলির বিরুদ্ধে গুগলের ব্যবস্থা

ব্যবসা বাণিজ্য দীপান্বিতা সূত্রধর || 28 December 2017

অ্যালফাবেট ইনকর্পোরেশন; গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ভিডিও "চরমপন্থী ভিডিও" হিসাবে ট্যাগ দিয়ে ডিলিট করা করেছে বা মুছে ফেলেছে।


সাম্প্রতিক সময়ে, সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলো নিজস্ব নীতিমালা পরিবর্তন করতে সরকারের চাপের সম্মুখীন হচ্ছে। সম্প্রতি ইউটিউব কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে অ্যালফাবেট ইনক এর গুগল ইউটিউব থেকে ভিডিওগুলি "চরমপন্থী ভিডিও" হিসাবে ট্যাগ দিয়ে ডিলিট করা হয়েছে বা মুছে ফেলা হয়েছে- কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ভিডিওগুলো কোন ধরনের সহিংসতা বা কোনও ঘৃণ্য অপরাধ প্রচার করে না।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটিশ সরকার দ্বারা সন্ত্রাসী হিসাবে চিহ্নিত একটা নির্দিষ্ট গ্রুপ বা দল সামাজিক নেটওয়ার্ক কর্তৃপক্ষ দ্বারা গৃহীত সিদ্ধান্তের জন্য নিগৃহীত হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

উদাহরণস্বরূপ নীচে নতুন সামাজিক নেটওয়ার্ক নীতির প্রভাবে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমস এর প্রামাণ্যতা ছিল যে ইউটিউব থেকে সম্প্রতি কিছু ভিডিও মুছে ফেলা হয়েছে। আল কায়েদার নিয়োগকর্তা আনোয়ার আল-আউলাকি একজন তথাকথিত ইসলাম ধর্মের প্রচারক যে পরবর্তীতে চরমপন্থী দলের প্রধান হয়- এর সব ভিডিও ব্লক করা হয়েছে বা মুছে ফেলা হয়েছে। ২০১১ সালে একটি আমেরিকান ড্রোন হামলার দ্বারা নিহত হয় আনোয়ার আল-আউলাকি।

উপরন্তু, নতুন নীতিমালার অধীনে যে ইসলামের ইতিহাসের উপর আল কায়েদার নিয়োগকর্তা আনোয়ার আল আওলাকির ভিডিওগুলো সরানো হয়েছে সেগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সহিংসতার দীর্ঘকাল আগে রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানান ইউটিউব মুখপাত্র। কোম্পানি খোলাখুলিভাবে নিশ্চিত করেছে যে তারা এই ভিডিওগুলি সরিয়েছে কিন্তু নিউইয়র্ক টাইমসের মতে ৭০ হাজারেরও বেশি ভিডিও ছিল এই আওলাকির যা মাত্র এখন ১৮,৬০০।

তাহলে একটা প্রশ্ন আমাদের মনের মধ্যে উদ্ভূত হতেই পারে যে কেন এইসব আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো পক্ষপাতিত্ব করে? কেন সব সময় কোন না কোন একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বা গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করা হয়? কেন কালো মানুষ, এলজিবিটি বা মুসলমানদের বিরুদ্ধে অপরাধ ও ঘৃণামূলক আচরণ বা ঘটনাগুলো মিডিয়াতে দেখানো হয় না? কেন "চরমপন্থী" শব্দটি শুধু মুসলমানদের সমার্থক হিসাবে ব্যবহৃত হয়? ধর্মকে কেন শুধু যুদ্ধ শুরুর অস্ত্র হিসাবে ধরা হয়?

এফবিআই (ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন) হেট ক্রাইম পরিসংখ্যান (২০১৫) অনুযায়ী মোট ৭,১২১ জনের মধ্যে ৫,১৮১ জন একটি নির্দিষ্ট কারণে এর শিকার হয়। এদের মধ্যে ৫৯.২% জাতিগত পক্ষপাতীর কারণে; ১৯.৭% ধর্মীয় পক্ষপাতের কারণে; ১৭.৭% যৌন অভিযোজনের কারণে; লিঙ্গ পরিচয় পক্ষপাতের কারণে ১.৭%; শারীরিক বা মানসিক ভাবে অসুস্থতার কারণে ১.২%; এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লিঙ্গ বৈষম্যের কারণে ০.৪% ঘৃণ্য অপরাধের শিকার হয়। ২০১৭ সালের এপ্রিল থেকে এই হেট ক্রাইম বা ঘৃণামূলক আচরণের জের ধরে কমপক্ষে ১০ মুসলিমকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দিয়ে বা পিটিয়ে হত্যা করা হয় । এসব ঘটনা মুসলিম সমাজে ভীতি সৃষ্টি করছে এবং এর জের ধরে সারা ভারত জুড়ে বিভিন্ন শহরে মুসলমানদের উপর আক্রমণের বিরুদ্ধে গত ২৮ জুন প্রতিবাদ করা হয়েছে। সিএনএন-এর মতে, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনা কর্তৃক তাদের প্রতি বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ডের কারণে ৫ লাখেরও বেশি মুসলিম রোহিঙ্গা বাংলাদেশ সীমান্তে পালিয়ে যায়।

উপরের তথ্যগুলো থেকে আমরা বলতে পারি যে, সমগ্র বিশ্বের অপরাধ বা অস্থিরতা পরিস্থিতি কেবল কিছু নির্দিষ্ট কিছু দল বা ধর্ম দ্বারা সৃষ্টি হয় না। মানুষের উন্মুক্ত ইচ্ছাশক্তি আছে এর কারণে তারা জানে যে তারা কি হতে চায়। তাই খারাপ কর্মকাণ্ডে লিপ্ত মানুষকে বা অপরাধীদেরকে জাতি বা লিঙ্গ দ্বারা বিচার করা উচিত নয়। সুতরাং, মার্কিন এবং ব্রিটিশ সরকারের সন্ত্রাসী তালিকাগুলির উপর নির্ভর করার আগে ইউটিউবের উচিত তাদের তথ্যের স্বচ্ছতা বিবেচনা করা। এছাড়াও ইলেক্ট্রনিক ফ্রন্টিয়ার ফাউন্ডেশনের মতো ইন্টারনেট স্বাধীনতা সমর্থকগণ সরকারের চাপের মুখে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সাবধানতা অবলম্বন করার জন্য সামাজিক নেটওয়ার্ক সাইটগুলোকে পরামর্শ দেয়।


Google's strict action against extremist YouTube videos

Business Dipanwita Sutradhar on 28 December 2017

Alphabet Incorporation, parent company of Google has started to remove videos from YouTube which are tagged as “Extremist Videos”


In recent times, a major policy shift- social media companies are facing increasing pressure from governments. Lately, YouTube authority has claimed that Alphabet Inc.’s Google has started to remove videos from YouTube which are tagged as “Extremist Videos”- actually do not depict any kind of violence or preach any hate crimes.

A highlighted group of people who are docketed as terrorists by U.S. and British government- are going to be affected by the new policy which is taken by the following social network authority.

As an example are mentioning below which we can mention the incident of new social network policy. According to YouTube authority- to hook and take down terrorist videos include some extensive measures. The New York Times has erudite that YouTube lately removed and blocked all videos from Anwar al-Awlaki, a so-called priest who turned extremist and was killed by an American drone strike in 2011. Furthermore, Hundreds of videos of assassination al Qaeda recruiter Anwar al-Awlaki lecturing on the history of Islam, recorded long before he advocated violence against the United States and those videos removed under the new policy, a YouTube spokesperson said. The company has not openly confirmed that they remove those videos but according to New York Times, there were over 70,000 al-Awlaki videos earlier in the fall but 18,600 now.

The questions arise in our mind when we see the double standards media and law enforcement institutions. Why is a certain group of people just targeted? Why hate crime against black people, LGBT or Muslims are not shown in media? Why is the word “Extremist” used as a synonym of Muslims? Why are religions considered as a weapon just to initiate a war?

As said by FBI’s (Federal Bureau of Investigation) Hate Crime Statistics (2015) there were 5,818 single-bias incidents involving 7,121 victims. Of those victims, 59.2 percent were targeted because of a race/ethnicity/ancestry bias; 19.7 percent because of a religious bias; 17.7 percent because of a sexual orientation bias; 1.7 percent because of a gender identity bias; 1.2 percent because of a disability bias; and 0.4 percent because of a gender bias in U.S. Additionally, at least ten Muslim men have been hanged or killed by beating in public in suspected hate crimes since April 2017. Those occurrences have contributed to an increasing sense of insecurity for many Muslims plus it is exaggerated the religious tensions among people. On 28 June, protests against the attacks on Muslims are being held in several cities across India. In 2017, according to CNN- more than 5, 00,000 Muslim Rohingya have escaped across the border to Bangladesh because of counterinsurgency act on them by Myanmar’s army.

To sum up, from the above information, we can state that, crime or unrest situation of the whole world is just not created by some certain group of people. As human has free will, they choose what they want to be. We should not judge anyone by their ethnicity or race or gender orientation. So, while YouTube is depending on U.S and British government’s lists of terrorists and terrorist group, they should consider the transparency of the information. Moreover, Internet freedom supporters such as the Electronic Frontier Foundation has advised tech companies to be alert and translucent in responding to government pressure.