স্বয়ংচালিত ডিভাইসের যুগের নতুন সংযোজন: স্বয়ংচালিত চালকবিহিন গাড়ি

প্রযুক্তি ভাবনা দীপান্বিতা সূত্রধর || 11 December 2017

নিকট ভবিষ্যতে আমরা স্বয়ংচালিত গাড়ি পাব এবং এইগুলি ট্র্যাফিক জনাকীর্ণতা, অত্যন্ত উন্নত ট্র্যাফিকের ধরন এবং কম দুর্ঘটনা হার হ্রাস করতে সাহায্য করবে।


ধরুন সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন এবং আপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা রয়েছে আপনার কর্মস্থলে আর হঠাৎ আপনার ফোনে একটা ক্ষুদে বার্তা এল। টিং ! আপনার গাড়ীটি নিজে থেকেই তৈরি হয়ে আপনার জন্য আপনার দোরগোড়ায় অপেক্ষা করছে। না, আপনি স্বপ্ন বা কোন বৈজ্ঞানিক কল্প কাহিনী ভিত্তিক সিনেমা দেখছেন না। অদূর ভবিষ্যৎ এখন আর কল্পনা নয়, এখন তা সত্যি।  

গাড়ি প্রস্তুতকারক এবং কিছু প্রযুক্তিভিত্তিক কোম্পানিদের মধ্যে স্বয়ংচালিত গাড়ির প্রযুক্তি বর্তমানে একটি আলোচিত বিষয়। স্বয়ংচালিত গাড়ির কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য যেমন এ গাড়িটি যান দুর্ঘটনার হার কমাবে এবং গাড়ি প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো তাদের সেবার পরিধিকে অন্যরূপ দান করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বিশ্বের বৃহত্তম গাড়ি উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠানগুলো উদাহরণস্বরূপ বলা যায় নিসান, জেনারেল মটরস, ভক্সওয়াগন এবং ভল্ভ; কিছু মোটর গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যেমন জুক্স - স্বয়ংচালিত গাড়ি তৈরির প্রক্রিয়াতে প্রভাবক দিতে প্রস্তুত। এছাড়াও কিছু সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান যেমন জাপানে অবস্থিত ডিএনএ, গুগলের স্বয়ংচালিত গাড়ি ভিত্তিক প্রকল্প ওয়াইমো বিদ্যুৎচালিত গাড়ি, বিশেষত স্বয়ংচালিত গাড়ি নিয়ে কাজ করছে।

ভবিষ্যতে মানুষের প্রয়জনের কথা চিন্তা করে গাড়ি তৈরির কোম্পানিগুলো আড়ম্বরপূর্ণ গাড়ী না প্রস্তুত করে এখন তাদের ঐতিহ্য পরিবর্তন করতে শুরু করছে। গাড়ি ব্যবহারকারিরা এখন এন্ড্রয়েড বা আই ও এস মোবাইল অ্যাপভিত্তিক অথবা মোবাইল অ্যাপ চালিত গাড়ি বেশি পছন্দ করছে।

২০১৯ সালের মধ্যে জেনারেল মোটরস রাইড শেয়ারিং সার্ভিস “শেভি বল্টস” চালু করবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি যার গাড়িগুলো স্বয়ংচালিত গাড়ি হবে। অন্য দিকে ২০২১ সালের মধ্যে জেনারেল মোটরসের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ফোর্ড ও স্বয়ংচালিত গাড়ি বাজারজাত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিসানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কার্লোস ঘন চার বছর আগে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তাও প্রায় সত্য হওয়ার পথে, কোম্পানিটি তাদের  “ইজি রাইড” নামক স্বয়ংচালিত গাড়ি আগামি বছর মার্চ মাসে উন্মোচন করবে বলে আশা করছে এবং জাপানের ইয়কহোমায় গাড়িটির টেস্ট ড্রাইভিং হবে বলে জানা গেছে। গুগলের ওয়াইম প্রকল্পের গাড়ির টেস্ট ড্রাইভিং বা পরীক্ষা আমেরিকার অ্যারিজোনা স্টেট এ হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এছাড়াও আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়াতে জুক্সের গাড়ির টেস্ট ড্রাইভিং হতে পারে।

কিছু সুস্পষ্ট কারণ আছে যাতে মানুষ চালকহীন গাড়ির উপর নির্ভর করতে পারে যেমন একটি নির্দিষ্ট দিক বসার জায়গার কোন প্রয়োজন হবেনা যেহেতু গাড়িটি নিজেই নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারবে। আধুনিক এন্টারটেইনমেন্ট টেকনোলজি, যেমন ভিডিও স্ক্রীন, চালককে বিভ্রান্তিকর চিন্তা ছাড়াই দীর্ঘ ভ্রমণকে হালকা করবে। আমরা বলতে পারি যে ড্রাইভারের প্রয়োজন ছাড়াই, গাড়িগুলি মিনি-অবসর কক্ষ হতে চলেছে। এই ধরণের গাড়ি দুর্ঘটনা কমাবে, পরিবেশ দূষণ হ্রাসে সাহায্য করবে, কার্যকর ভ্রমণ করবে উপরন্তু, একচেটিয়া সংবেদী প্রযুক্তি মানুষের ইন্দ্রিয়ের চেয়ে আরও ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারে এবং আরও সূক্ষ্ম প্রতিবন্ধকতা এবং অনেক কিছু সনাক্ত করতে পারে।

যথাযথভাবে, আমরা বলতে পারি যে নিকট ভবিষ্যতে আমরা স্বয়ংচালিত  গাড়ি পাব এবং এইগুলি ট্র্যাফিক জনাকীর্ণতা, অত্যন্ত উন্নত ট্র্যাফিকের ধরন এবং কম দুর্ঘটনা হার হ্রাস করতে সাহায্য করবে। আসন্ন অর্থনৈতিক সুপার পাওয়ার চীন স্বয়ংচালিত গাড়ি তৈরিতে ইতিমধ্যে এগিয়ে আছে অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলোর চেয়ে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ইউরোপীয় কমিশন স্বয়ংচালিত গাড়ি এবং রোবোটো-ট্যাক্সি নির্মাণ এবং পরীক্ষা করার উপর জোর দিচ্ছে।


New addition of Automated Device Era: Self driving cars

Tech Dipanwita Sutradhar on 11 December 2017

In near future, we are going to have self-driving cars and these will help lessen traffic congestion, enhance highly developed traffic structure and lead fewer accident rates.


Suppose, the first working day of the week, you have to attend a very important meeting in office and you got a text on your phone. Ting! Your car is ready and waiting in front of your door. No! You are not dreaming. This future is here!

Self-driving car technology has been the most discussed topic for automakers and giant tech companies since it promises to save time by offering up a whole new service industry lives by preventing accidents and so on and so forth. The process of making and testing automotive cars is on the verge of success. Many of world’s biggest car manufacturing companies such as Nissan, General Motors, Volkswagen and Volvo and some automobile companies like Zoox are trying to add the catalyst to the process. Additionally, software companies like DeNA, autonomous car Development Company such as Waymo are also working on the electric car especially for the self-driven ones.

Personal mobility might change intensely in the next two decades. Consumers who view mobility as a service, increasingly want more choices for commuting to different places including ride-hailing, car sharing, and perhaps even self-driven “robo-taxis.” For automakers, the proposed changes could replace the industry’s traditional emphasis on the self-driving car or we can say robo-taxi rather than a stylish car. The focus may even expand the new mobility models and consumers will start to spend in riding services because of their exclusive features such as controlling car with an Android or iOS apps.  

GM says it will have a ride-sharing service which will be featured by a line of self-driving Chevy Bolts and it is ready to launch by 2019. GM is expecting that it would place the No. 1 U.S. automaker ahead of its main rival Ford. On the other hand, Ford is supposed to reveal its own self-driving car without pedals or a steering wheel by 2021. Furthermore, Nissan’s CEO Carlos Ghosn said that the company would produce self-driving cars by 2020 four years back. As he said Nissan's technology grew fast and it has just announced public trials of robo-taxis to inaugurate in the month of March next year. The mentioned self-driving taxi service is called Easy Ride, and the trials will be conducted in Yokohama, Japan. Nissan isn't the only company in public trials for self-driving cars. Google's Waymo began public trials in Arizona this year, and GM's Cruise Automation is planning on public trials using the name Cruise Anywhere. Almost 50 companies that have permits to test autonomous vehicles in California, the most radical and mysterious member of this self-driving car club is Zoox.

There is some obvious reason that people can rely on driverless cars. There would be more space and no need for sitting in a specific direction. Entertainment technology, such as video screens, could be used to lighten long journeys without the concern of distracting the driver. We can say that without the need for a driver, cars could become mini-leisure rooms. These kinds of cars will reduce accidents, help to diminish environmental pollution, will have efficient travel. Additionally, the exclusive sensory technology could hypothetically observe the environment better than human senses, seeing farther ahead, detecting smaller and more subtle obstacles and so many things.

Conclusively, we can say that in near future we are going to have self-driving cars and these will help to lessen traffic congestion, highly developed traffic structure and lead fewer accident rates. In the making of autonomous cars upcoming superpower China is already ahead of other western countries. Under the circumstances, European Commission is emphasizing on building and testing automotive cars and robo-taxis.