যশোরের উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক- শিল্প ও প্রযুক্তির এক বিরল সমাহার

প্রযুক্তি ভাবনা দীপান্বিতা সূত্রধর || 20 December 2017

শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক- ৩.০৫ বিলিয়ন টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী মাননীয় শেখ হাসিনা।


নবনির্মিত “শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক” –২০১৫ সালের ১০ ডিসেম্বর গণভবনে টেলিফোনের মাধ্যমে ৩.০৫ বিলিয়ন টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী মাননীয় শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী যশোরের আনুষ্ঠানিকভাবে একটি টেকনলজি পার্ক উদ্বোধন করেন যা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় তথ্য প্রযুক্তি খাতে একটি নতুন দিগন্ত যোগ করবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক স্বাগত ভাষণে বক্তব্য রাখেন এবং সংসদের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ এতে উপস্থিত থাকেন।

তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরীর পক্ষ থেকে পার্কের একটি সংক্ষিপ্তসার প্রদানের জন্য একটি পাওয়ার পয়েন্টে প্রেজেন্টেশন প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী গণভবনে এই কর্মসূচিকে নিয়ন্ত্রণ করেন।

“শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক” মূলত রয়েছে বারো তলাবিশিষ্ট ত্রি-তারকা মানের ডরমিটরি বা অস্থায়ী নিবাস, রাষ্ট্রীয় কাস্টম কনফারেন্স সেন্টার এবং ভূগর্ভস্থ পার্কিংয়ের সাথে ১৫ তলা বিশিষ্ট ভবন। ডরমিটরিতে একটি জিম, একটি কনভেনশন সেন্টার এবং ভূগর্ভস্থ পার্কিং রয়েছে। প্রতিটি ফ্লোরে প্রায় ১৪ হাজার বর্গ ফুট জায়গা থাকবে।

একটি ৩৩ কিলো ভোল্ট পাওয়ার সাব-স্টেশনটি পুরো পার্কটির বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের জন্য নির্মিত হয়েছে। ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট লাইন এবং অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তি সেবা থাকবে। ভারত থেকে ফাইবার অপটিক সংযোগটি আসবে এবং বিদ্যুৎশক্তির উৎসের জন্য বারো তালা ডরমিটরি দালানের ছাদে সম্পুরক শক্তির যোগানের জন্য সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন করা হবে।

পার্কের কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জানানো গেছে যে ভবনগুলি ভূমিকম্প প্রতিরোধী স্থিতিস্থাপক যৌগ (ইস্পাত এবং কংক্রিট) দ্বারা কাঠামোটি নির্মিত হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক যুগ্ম সচিব জাহাঙ্গীর আলম বলেন যে পার্কে সফটওয়্যার উন্নয়ন, কল সেন্টার সার্ভিস, ফ্রিল্যান্সিং, প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা এবং উন্নয়নের কাজ করা হবে। এছাড়া, খুলনা বিভাগের দশ জেলায় ৫০০০ তরুণের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে এই পার্কটি।

২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে বেজপুরার শঙ্করপুর এলাকার ২৩২,০০০ বর্গফুট জমির উপর প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

পার্কের অভ্যন্তরে পঞ্চান্নটি কোম্পানির সাথে আরও দুটি শীর্ষস্থানীয় জাপানি কোম্পানিকে স্থান দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, তরুণ নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত (স্টার্ট আপ) কোম্পানির জন্য একটি সম্পূর্ণ ফ্লোর বিনামূল্যে বরাদ্দ করা হয়েছে ।

২০১২ সালের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ অর্জনের অংশ হিসাবে “শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্ক” নির্মিত হয়েছে এবং উচ্চপ্রযুক্তি সম্পন্ন পার্কটি থেকে ৫ বিলিয়ন ইউ. এস. ডলার আয় হবে বলে আশান্বিত সরকারের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়।

আলোকচিত্র স্বত্বঃ খুলনা মেইল

Sheikh Hasina Hi-Tech Software Park- a rare combination of Art and Tech in Jessore

Tech Dipanwita Sutradhar on 20 December 2017

Sheikh Hasina Software Park- a 3.05 billion Taka project was launched by Honorable Prime Minister Sheikh Hasina.


Newly-built Sheikh Hasina Software Park- a 3.05 billion Taka project was launched by Honorable Prime Minister Sheikh Hasina via teleconference from the Ganabhaban on 10th December 2017. Above and beyond Prime Minister has formally inaugurated the park in Jessore which will add a new horizon of potentiality in Bangladesh’s ICT sector.

State Minister for ICT Division Zunaid Ahmed Palak conveyed the welcome address and Chairman of the Parliamentary Standing Committee on the Post and Telecommunications Imran Ahmed was present during the occasion.

A PowerPoint presentation was displayed to give an overview of the park by ICT Division Secretary Subir Kishore Chowdhury. Whereas prime minister’s Principal Secretary Dr. Kamal Abdul Naser Chowdhury moderated the function at Ganabhaban.

The Hi-Tech Park is basically fifteen storied building along with a twelve storied three-star standard dormitory, state-of-the-art convention center and underground parking. The dormitory features a gym, a convention center, and underground parking. Each of the floors will have some 14,000 square feet space.

A 33KVA power sub-station has built to meet the power needs of the whole site. There will be fiber optic internet line and other utility services. The fiber optic connections drawn from India will start from the park and solar panels will also be set up on the terrace of the twelve storied dormitory building for a backup source of energy.

It has been known from the authority that all the buildings have been constructed with earthquake resilient compound (steel and concrete) structure.

Project director Joint Secretary Jahangir Alam stated that software development, call center services, freelancing, research, and development work will be conducted at the park. Additionally, the Park will create jobs for 5,000 young people in the ten districts of the Khulna division.

Construction work on the project began on 232,000 square feet of land in Bejpura’s Shankarpur area in April 2014.

Two leading Japanese companies in consort with other fifty-five companies have been allotted space inside the park. Remarkably, an entire floor has been allotted for young start-up companies free of cost.

By 2021, Bangladesh’s government optimism that the Sheikh Hasina Software Park will play an essential role in achieving the 5 billion U.S. dollar in ICT sector.

Photo Credit: Khula Mail